নিজস্ব প্রতিবেদক
ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে কুমিল্লায় রমজানের শেষ ১০ দিনে ৫০০ কোটি টাকা বিক্রির প্রত্যাশা করছেন ব্যবসায়ীরা। ১৫ রমজানের পরই ভিড় বাড়তে থাকে কুমিল্লার শপিংমল গুলোতে। তবে শেষ দশ দিনকেই ভাগ্য বদলের দিন বলে মনে করছেন তারা।
কুমিল্লা শহরের প্রাণকেন্দ্র কান্দিরপাড় এলাকা, ঝাউতলা, চকবাজার ও রাজগঞ্জ এলাকার একাধিক ব্যবসায়ী জানান, শুধু ইফতারের সময় ৩০ মিনিটের বিরতি ছাড়া মধ্যরাত পর্যন্ত চলে বেচাকেনা। এভাবে চলতে থাকলেই তারা খুশি।
কান্দিরপাড় এলাকার সাত্তার খান কমপ্লেক্স, খন্দকার, ময়নামতি মার্কেট, প্ল্যানেট এস আর, সমতট মার্কেট, নিউ মার্কেট, এসবি প্লাজা, শাসনগাছা এলাকার ইস্টার্ন ইয়াকুব প্লাজায় গিয়ে দেখা যায় সব বয়সী মানুষের পড়া ভিড়। কেউ দোকানে ঢুকছেন কেউ কেনাকাটা শেষে বের হচ্ছেন। উৎসবের আমেজে সবার মুখেই হাসি। এভাবেই সকাল ১০ টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত জমজমাট থাকে কুমিল্লা নগরীর বিপণিবিতানগুলো। দিনের তুলনায় সন্ধ্যা ও রাতে বেশি বিকিকিনির ধুম পড়ে। অনেক ব্যবসায়ী ঋণ করে পণ্য দোকানে এনেছেন গত দুই বছরের করোনার ক্ষতি পোষাতে। দামাদামি না করেই যেন ক্রেতার হাতে পণ্য তুলে দিতে পারেন সে কারণে লাগামের মধ্যেই দাম বলে বিক্রি করছেন তারা।
কুমিল্লা দোকান মালিক সমিতি সূত্রে জানা গেছে, কুমিল্লা নগরীতে ৩০ হাজারের বেশি দোকান রয়েছে। এর মধ্যে শুধু পোশাক ও জুতার দোকান রয়েছে প্রায় ১০ হাজার। যেগুলোতে রোজার শেষ দশ দিনে ৫০ হাজার টাকা করে গড়ে বিক্রির লক্ষ্য রয়েছে। সে হিসেবে ১০ হাজার দোকানের ১০ দিনের বিক্রির পরিমাণ ৫০০ কোটি টাকা।
কুমিল্লা দোকান মালিক সমিতির সভাপতি আতিকুল্লাহ খোকন বলেন, আমাদের সকল দোকানের বিক্রি সমান নয়। কিছু দোকানে বেশি বিক্রি কিছু দোকানে কম বিক্রি। শপিংমলের দোকান গুলোতে বেশি বিক্রি। এছাড়াও বাইরের যে দোকান রয়েছে সেগুলোতেও ভালো বিক্রি হচ্ছে। তবে গড়ে প্রতি দোকানে ৫০ হাজার করে দিনে বিক্রি হবে বলে প্রত্যাশা করছি।