শিরোনাম

প্রকাশঃ ২০২৩-০৮-২৬ ১৯:৪৯:১৪,   আপডেটঃ ২০২৪-০৫-২১ ১১:২৬:১৬


লালমাইতে বিএনপির সভায় গুলি-লুট-ভাঙচুরের অভিযোগ আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে

লালমাইতে বিএনপির সভায় গুলি-লুট-ভাঙচুরের অভিযোগ আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে

নিজস্ব প্রতিবেদক 

কুমিল্লার লালমাই উপজেলার বেলঘর উত্তর ইউনিয়নে বিএনপির প্রতিনিধি সভায় হামলা, গুলি, ভাঙচুর, বাড়িঘর লুটের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দুইজন গুলিবিদ্ধসহ ৫০ বিএনপি নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে দাবি তাদের। 

শনিবার (২৬ আগস্ট) দুপুরে ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব মফিজুল ইসলামের উন্দানিয়া গ্রামের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও সাবেক সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী জানান, বেলঘর উত্তরে আমাদের একটি প্রতিনিধি সভা ছিল। বিকেল ৪টার দিকে আমার সেখানে যাবার কথা। এর আগেই শুনি দুপুর ২টা থেকে আওয়ামী লীগের লোকজন সেখানে মহড়া দিচ্ছে। তারা লালমাই উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুল হাসান ও সদর দক্ষিণ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম সারোয়ারের লোকজন। বাগমারা থেকে তাদের ভাড়া করে আনা হয়। ২টার পর তারা প্রতিনিধি সভায় ভাঙচুর ও গুলি চালায়। এসময় যুবদল নেতা ফিরোজ ও মনির গুলিবিদ্ধ হন। তারা কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আমাদের ৫০জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এ ছাড়া তাদের লোকজন মফিজুল ইসলামের বাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়।

সদর দক্ষিণ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম সারোয়ার জানান, মনিরুল হক চৌধুরী মনে হয় দিবা স্বপ্ন দেখছেন। তিনি আমাকে কোথায় দেখলেন? বরং গৈয়ারভাঙ্গা-বেলঘর সড়কে মিছিল চলাকালে বিএনপির লোকজন আমাদের লোকজনের ওপর গুলি করে। এতে আমাদের ৮-৯জন আহত হয়।

আহতরা কারা জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখনই তাদের পরিচয় আমি বলতে পারছি না।

লালমাই উপজেলা চেয়ারম্যান মোহাম্মদ কামরুল হাসান (শাহীন) বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর হামলার বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, বেলঘর বাজারে আমাদের শান্তি সমাবেশে ছিল। নেতাকর্মী গৈয়ারভাঙ্গা থেকে বেলঘর বাজারের দিকে মিছিল নিয়ে যাচ্ছিল। এসময় বিএনপি নেতাকর্মীরা আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা করে। এতে আমাদের ১০-১২ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছে। আহতরা কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আছে। 

আহতদের পরিচয় জানতে চাইলে তিনি বলেন, ছাত্রলীগের রায়হান ও মাঈনুলসহ যারা আহত আছে তাদের দেখতে যাবো। গিয়ে বলতে পারবো। 

লালমাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হানিফ সরকার জানান, বেলঘরের উন্দানিয়া গ্রামে বিএনপির একজন অসুস্থ নেতাকে দেখতে যাওয়ার কথা ছিল মনিরুল হক চৌধুরী সাহেবের। এসময় ওই গ্রামে আওয়ামী লীগের একটি শান্তি সমাবেশ হচ্ছিল। আওয়ামী লীগের লোকজন মিছিল নিয়ে যাবার সময় বিএনপির লোকজন ইটপাটকেল ছুঁড়লে সামান্য বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। 

তিনি বলেন, গুলি ছোড়া হলে কিছু আলামত থাকে। ঘটনাস্থলে আমরা তেমন কোনো আলামত দেখিনি।




www.a2sys.co

আরো পড়ুন