শিরোনাম

প্রকাশঃ ২০২১-০৭-১৪ ২২:৪১:২৭,   আপডেটঃ ২০২১-০৭-২৪ ২৩:৪৪:০৪


কোরবানির জন্য ‘গয়াল’ কিনলেন মেয়র সাক্কু

কোরবানির জন্য ‘গয়াল’ কিনলেন মেয়র সাক্কু

নিজস্ব প্রতিবেদক

কোরবানির জন্য ‘গয়াল’ কিনলেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মনিরুল হক সাক্কু। এই গয়াল এক নজর দেখতে ভিড় করছে সাধারণ মানুষ। সাধারণ পার্বত্য চট্টগ্রামের বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ি বনে দেখা মেলে গয়ালের। শখের বশে কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার মাঝিগাছা এলাকার ফাতেমা অ্যাগ্রো ফার্ম বান্দরবান থেকে ছয় মাস আগে দুটি গয়াল আনে। একটির নাম ‘বড় মিঞা’, আরেকটির নাম ‘ছোট মিঞা’। এর মধ্যে ‘বড় মিঞা’কে কিনলেন কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. মনিরুল হক সাক্কু।

খামার সূত্রে জানা যায়, গয়াল ‘বড় মিঞার’ ওজন ১২ মণ। দাম পড়েছে ছয় লাখ টাকা।

কোরবানির জন্য গলায় কিনার বিষয়ে জানতে চাইলে মেয়র মো. মনিরুল হক সাক্কু বলেন, গয়ালের মাংসে কোনো ধরনের চর্বি থাকে না। এবার তাই গয়াল কোরবানি দিচ্ছি।

জানা গেছে, কুমিল্লার আইনজীবী মো. কাইমুল হকের (রিংকু) বড় ছেলে সাকিউল হক উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে করোনাকালে বাসায় বসে ছিলেন। বাবার কাছে বায়না ধরে আট মাস আগে সাকিউল মাঝিগাছা এলাকায় গড়ে তোলেন ফাতেমা অ্যাগ্রো। প্রথমে ফার্মে ষাঁড় গরু তোলা হয়। পরে অনলাইনে গয়াল সম্পর্কে ধারণা নেন। এরপর বান্দরবান এলাকা থেকে ৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা (গাড়ি ভাড়াসহ) দিয়ে দুটি গয়াল কেনেন। গয়াল দুটি আনার পর প্রথমে কিছু খেতে চাইত না। পরে তাদের ঘাস, খড় ও কলাপাতা খাওয়ানোতে অভ্যস্ত করা হয়। এখন তারা সবই খাচ্ছে।

ফাতেমা অ্যাগ্রো ফার্মের দেখভাল করেন সাকিউল হক। তিনি বলেন, দুটি গয়ালের মধ্যে বড় মিঞা বিক্রি হয়েছে। ছোট মিঞার দাম উঠেছে সাড়ে তিন লাখ টাকা। ছোটটির ওজন ৬ থেকে ৭ মণের মতো হবে। প্রতিবছর আমার বাপ চাচাদের পরিবারে অনেক ষাঁড় কোরবানির জন্য লাগে। তাই করোনাকালে নিজেই ফার্ম করার উদ্যোগ নিই। 

আইনজীবী মো. কাইমুল হক বলেন, আগামীতেও গয়াল এনে পালন করব। এবার পরীক্ষামূলক চালালাম। লাভও হবে। আমাদের ফার্মে বর্তমানে ২৩টি গরু ও ২টি গয়াল আছে। কুমিল্লা অঞ্চলে সম্ভবত গয়াল এনে আমরাই প্রথম পালন করছি।



www.a2sys.co

আরো পড়ুন