
নিজস্ব প্রতিবেদক
কুমিল্লা শহরতলীর দৌলতপুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্থ ১৬ পরিবারের অধিকাংশই ইপিজেড কর্মী। তারা ওই এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন। গ্যাস সিলিন্ডার থেকে সূত্রপাত হওয়া ভয়াল আগুন পুড়ে গেছে তাদের ঘরের আসবাবপত্র সহ ঘরে থাকা সকল আসবাবপত্র। পরনের পোশাক ছাড়া কিছুই রক্ষা করতে পারেননি। সহায় সম্বল হারিয়ে নিন্মআয়ের মানুষগুলো এখন নিঃস্ব হয়ে গেছেন। বৃহস্পতিবার অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে যাওয়া ঘরগুলোর ঘটনাস্থল সরজমিনে পরিদর্শনে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী ও কম্বল তুলে দেন কুমিল্লার সদর উপজেলা চেয়ারম্যান এড.মো.আমিনুল ইসলাম টুটুল। এসময় তিনি উপজেলা পরিষদের অনুদানসহ তাদেরকে সরকারি সাহার্য্য ব্যবস্থা করার আশ্বাস দেন। এসময় স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো.আমিনুল হক সহ অনান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে বুধবার সন্ধ্যায় দৌলতপুর রেলগেইট সংলগ্ন হারু ভূঁইয়ার বাড়িতে এই অগ্নিকা-ের ঘটনা ঘটে। কুমিল্লা ফায়ার সার্ভিসের ৪টি ইউনিট এসে স্থানীয় জনগনের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রনে আনেন। গ্যাস সিলিন্ডার থেকে এই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়েছে বলে জানা গেছে। বৃহস্পতিবার আদর্শ সদর উপজেলা প্রকল্প সমন্বয় কর্মকর্তা সরজমিনে গিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। ক্ষয়ক্ষতির পরিমান প্রায় ৬৬ লাখ টাকা বলে জানিয়েছেন স্থানীয় ইউপি সদস্য রেজাউল করিম রাজন।
স্থানীয় ইউপি সদস্য রেজাউল করিম রাজন জানান, ক্ষতিগ্রস্থদের স্থানীয় ৪ পরিবার। বাকিরা ভাড়াটিয়া। খেটে খাওয়া মানুষ। ইপিজেডে কাজ করে। আগুনে ঘরের আসবাবপত্রসহ সকল মালামাল পুড়ে যাওয়ায় তারা নিঃস্ব হয়ে পড়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে আদর্শ সদর উপজেলা চেয়ারম্যান এড.মো.আমিনুল ইসলাম টুটুল খাদ্য সামগ্রী ও কম্বল বিতরণ করেছেন। এছাড়া তিনি উপজেলা পরিষদের অনুদান সহ তাদেরকে সরকারি সাহায্য ব্যবস্থা করার আশ্বাস দেন। অনান্যদেরকেও তিনি মানবিক সাহায্য নিয়ে এগিয়ে আসার আহবান জানান।