
নিজস্ব প্রতিবেদক
কুমিল্লা মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আ.ক.ম বাহাউদ্দিন বাহার এমপি বলেছেন, আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারতে করোনা পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। বাবাকে চিকিৎসার জন্য ছেলে হাসপাতালে নিয়ে গেছে আর হাসপাতাল থেকে বাবা- ছেলে দুইজনে লাশ হয়ে ফিরেছে। বাবার মুখে অগ্নি দিচ্ছে প্রতিবেশী মুসলমান বন্ধু। আমরা ভীত সন্তস্থ ভারতের পরিস্থিতি আমাদের দিকে মুভ করে কিনা। ভারতের করোনার ধরন খুবেই ভয়াবহ ।
বর্তমান সংকট উত্তরণে কুমিল্লার জেলা প্রশাসন,পুলিশ প্রশাসন,স্বাস্থ বিভাগ ও বিভিন্ন পর্যায়ের জনপ্রতিনিধিরা একযোগে যেভাবে কাজ করছি কুমিল্লার মানুষ এর সুফল পাচ্ছে। এখন সবছেয়ে বেশি প্রয়োজন মানুষের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধি করা। বিশেষ করে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করা,স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলা। কুমিল্লায় ৬০ লাখ মানুষ আছে সবাই রোগী হলে চিকিৎসা দেওয়া যাবে না। আপনারা কেউ নিজের খামখেয়ালীপনা কারণে রোগী হবেন না। নিজে স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলবেন,পরিবারকে সুরক্ষীত রাখবেন। প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘর থেকে বের হবেন না। আমি ঘর থেকে বের হই আপনাদের প্রয়োজনে।
গতকাল রবিবার বিকেলে পাঁচথুবী ইউনিয়ন পরিষদ আয়োজিত হুইল চেয়ার ও ঈদ সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আ.ক.ম বাহাউদ্দিন বাহার এমপি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন পাঁচথুবী ইউনিয়ন পরিষদ এর চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন বাহালুল। বিশেষ অতিথি ছিলেন কুমিল্লা স্থানীয় সরকার বিভাগ এর উপ-পরিচালক শওকত উসমান, আদর্শ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাকিয়া আফরীন, ভাইস চেয়ারম্যান তারিকুর রহমান জুয়েল। এসময় ৫০ জন অসহায় ব্যক্তির মাঝে হুইল চেয়ার এবং ঈদ সামগ্রী তুলে দেন এমপি বাহারসহ অতিথিরা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে হাজী বাহার এমপি আরও বলেন, দেশের বিভাগীয় শহর ছাড়া জেলা শহর একমাত্র কুমিল্লা-ই করোনা রোগীর চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। ভিডিও কনাফারেন্স এ নেত্রীর কাছে পিসিআর মেশিন চাওয়ার ৩ দিনের মধ্যে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজে করোনা পরীক্ষার মেশিন এসেছে। করোনা পরীক্ষার ব্যবস্থা করেই আমরা থেমে থাকি নাই।
পরবর্তীতে আমরা কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১৫৫ বেডের করোনা ইউনিট চালু করেছি। আইসিও বেডের ব্যবস্থা করেছি। গতমাসে কুমিল্লা জেনারেল হাসপাতালে আরও ৩০ বেডের করোনা ইউনিট চালু করেছি। আমরা কুমিল্লায় ইতিমধ্যে বেসরকারী হাসপাতালে করোনা রোগীর চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছি। ইষ্টার্ণ মেডিকেল কলেজে কার্যক্রম চালু করা হয়েছে।